ইসলামের প্রাথমিক যুদ্ধ হিসেবে বদর ও উহুদ-এর প্রভাবঃ একটি বিশ্লেষণ। আলিম 2021 ইসলামের ইতিহাস [৪র্থ সপ্তাহ] অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর।

আজ আলিম 2021 সালের চতুর্থ সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত ইসলামের ইতিহাস অ্যাসাইনমেন্ট এর পূর্ণাঙ্গ উত্তর প্রকাশ করা হলো। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত আলিম 2021 সালের ইসলামের ইতিহাস চতুর্থ সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্টের প্রশ্নের উপর ভিত্তি করে আমরা এর নির্ভুল উত্তর তৈরি করেছি। ফলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আলিম পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীরা তাদের চতুর্থ সপ্তাহের ইসলামের ইতিহাস অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর উত্তর সংগ্রহ করে এসাইনমেন্ট তৈরি তৈরি করে পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে যেতে পারেন। আলিম 2021 সালের ইসলামের ইতিহাস চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর পেতে নিচের অংশ দেখুন।

আলিম ইসলামের ইতিহাস চতুর্থ সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন 2021

প্রিয় আলিম 2021 সালের পরীক্ষা অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা। আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে ইসলামের ইতিহাস চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর এর পাশাপাশি আমরা ব্যাখ্যাসহ প্রশ্ন প্রকাশ করেছি। ফলে খুব সহজেই ইসলামের ইতিহাস অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন দেখে বুঝে অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর তৈরি করে নিতে পারবেন। নিচে আলিম 2021 ইসলামের ইতিহাস চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন দেওয়া হল।

প্রশ্নঃ

অ্যাসাইনমেন্টঃ

ইসলামের প্রাথমিক যুদ্ধ হিসেবে বদর ও উহুদ-এর প্রভাবঃ একটি বিশ্লেষণ।

নির্দেশনাঃ

  1. পটভূমিসহ বদর যুদ্ধের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ
  2. বদর যুদ্ধের ফলাফল
  3. উহুদ যুদ্ধের কারণ ও ফলাফল উহুদ যুদ্ধের শিক্ষা

আলিম চতুর্থ সপ্তাহ ইসলামের ইতিহাস এসাইনমেন্ট উত্তর 2021

আপনি যদি আলিম 2021 সালের পরীক্ষা অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন। তাহলে আমাদের এই অংশ থেকে ইসলামের ইতিহাস অ্যাসাইনমেন্টের নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর ডাউনলোড করে নিতে পারেন। চলুন আলিম 2021 সালের ইসলামের ইতিহাস চতুর্থ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর দেখে নেয়া যাক।

উত্তরঃ

ভূমিকাঃ

বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ যা মুসলিম ও কাফিরদের মধ্যে দ্বিতীয় হিজরীতে সংগঠিত হয়। এই যুদ্ধের মাধ্যমে মুসলিমরা সংখ্যায় অনেক কম হযেও মক্কার কাফির শক্তিকে পরাজিত করে ইসলামের স্বর্ণোজ্জল সূচনার সৃষ্টি করেন। নিম্নে যুদ্ধের পটভূমি, কারণ, ফলাফল, উহুদ যুদ্ধের কারন, ফলাফল বিস্তারিত বর্ননা করা হল।

(ক) পটভূমি সহ বদর যুদ্ধের প্রত্যক্ষ এবং পরােক্ষ কারণ সমূহঃ

পটভূমিঃ রমজানের সূচনায় রাসূল (সাঃ) নিশ্চিত ভাবে ভ যুত হলেন যে, আবু সুফিয়ান কুরাইশের এক ব্যবসায়ী কাফেলা নিষে থেকে মক্কায় ফিরে যাচ্ছে আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে কুরাইশের কাফেলাটি কৗফেলাটি শামে গিয়েছিলাে অস্ত্র ক্রয় করতে কারণ মদিনায় বইতে থাকা ইসলামের বসন্তের হাওয়া তাদের ভাবিয়ে তুলেছিলাে। বিষযুটি করতে পেরেই মুসলমানরা আবু সুফিয়ানের কাফেলা আটকে দিতে “আবু সুফিয়ান মুসলিমদের সম্পর্কে তথ্য নিতে নিতে মক্কার প্রাথলছিল , সে বিষয়টি বুঝতে পেরে মক্কায় খবর পাঠায় সাহায্যের জন্য। তবে খবরটি ছিলাে

একটি অপপ্রচার যে, মুসলমান বাহিনী তার কাফেলায় আক্রমণ করেছে। খবর পেয়ে তৎক্ষনাৎ আবু জাহেলের নেতৃত্বে বিশাল বাহিনী মদিনা আক্রমণে বের হয়। কিন্তু মুসলমানদের কোনো প্রস্তুতি ছিলাে না। কারণ তারা এসেছিলাে শুধু আবু সুফিয়ানকে আটকাতে। এই যুদ্ধ সংগঠিত হওয়ার পিছনে আরাে কিছু কারণ প্রত্যক্ষ ভাবে কাজ করছিলালাে। যেমনঃ নাখলার খন্ডযুদ্ধ , মদিনার উন্নয়ন, কুরাইশদের অতীতের ক্ষোভ , ইসলামের প্রসার , তাদের ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাওষৰ আশংকা ইত্যাদি।

প্রত্যক্ষ কারণ সমূহঃ

১. নাখলার ঘটনাঃমহানবী (স) কুরাইশদের গতিবিধি লক্ষ করার জন্য মক্কার উপকষ্ঠে একটি পর্যবেক্ষক দল প্রেরণ করেন। তারা মক্কার নিকটবর্তী নাখলা নামক স্থানে কুরাইশদের বাণিজ্য কাফেলার ওপর আক্রমণ চালিয়ে কয়েকজনকে হত্যা করে। ফলে কুরাইশদের পূর্বঘােষিত শত্রতা প্রকট আকার ধারণ করে।

২. কাফেরদের রণপ্রস্তুতিঃ মদিনার মুসলমানদের নিধন করার উদ্দেশ্যে মক্কার কাফেরেরা অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক ইত্যাদি সর্বপ্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ।

৩, আবু সুফিয়ানের অপপ্রচারঃকুরাইশ দলপতি আবু সুফিযাব অজুহাতে অস্ত্র সংগ্রহের জন্য সিরিয়ায় গমন করেম ক্কায় খুব সাসুল কুরাইশ কাফেলা প্রত্যাবর্তনের পথে মদিনায় মুসলমানগণ কর্তৃক ক্রন্ত হয়েছে। এ সংবাদের সত্যতা যাচাই না করেই কুরাইশগণ আবু মূলের নেতৃত্বে প্রায় এক হাজার সৈন্যসহ মদিনা আক্রমণের জন্য রওয়ানা

৪, অহীলাভঃ মক্কাবাসীদের যুদ্ধোদ্দেশ্যে আগমনের সংবাদে মহানবী (স) চিন্তিত হয়ে পড়েন। রক্তপাত তিনি পছন্দ বতেন না, কিন্তু যুদ্ধ প্রতিহত করা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। এসময়ূই নি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার নির্দেশ লাভ করেন। পর তিনি যুদ্ধ সংক্রান্ত মন্ত্রণাসভা আহ্বান করেন। এতে সিদ্ধান্ত হয়, মানগণ। কুরাইশদের মােকাবেলা করবেন।

পরােক্ষ কারণ সমূহঃ

১. হিংসার সূচনা মদিনায় ইসলাম সাফল্যজনকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার সংবাদে কুরাইশদের মধ্যে রীতিমতাে হিংসার সূচনা হয়। তারা পৌত্তলিক গােত্রসমূহকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করে তােলে। এ প্রসঙ্গে মাওলানা মুহাম্মদ আলী বলেন, ইসলামের ক্রমবর্ধমান শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য কুরাইশদের এ উদ্যোগই বদর যুদ্ধের একমাত্র কারণ।

২. আবদুল্লাহ ইবনে উবাইর ষড়যন্ত্রঃ আবদুল্লাহ ইবনে উবাই নিজেকে মদিনার ভাবী শাসক হিসেবে কল্পনা করছিল ।কিন্তু মুহাম্মদ (স) মদিনায় ইসলামী প্রজাতন্ত্র গঠন করলে তার সে কল্পনা চির কল্পনা হয়েই থাকে। তাই সে কুরাইশদের সাথে মুসলমানদেরকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

৩. ইহুদিদের ষড়যন্ত্রঃ হযরত মুহাম্মদ (স) – এর ক্রমবর্ধমান প্রতিপত্তি ইহুদিগণ সহ্য করতে পারেনি। তাই সুবিধাভােগী কিছু ইহুদি নেতা। মুসলমানদের বিরুদ্ধে মুনাফিকদের সাথে মিশে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করতে থাকে

৪. সন্ধিশর্ত ভঙ্গঃ মদিনার বিশ্বাসঘাতক ইহুদিরা সন্ধির শর্ত ভঙ্গ করে। কুরাইশদেরকে মদিনা আক্রমণে প্ররােচিত করে এবং রাসূলুল্লাহ (স) – এর মহানুভবতা ও সহনশীলতার সুযােগে নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলে তৎপর। ওঠে। ফলে বদর যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে দেখা দেয়।

(খ) বদর যুদ্ধের ফলাফলঃ

যুদ্ধের পূর্বে ৬২৩ থেকে ৬২৪ সালের মধ্যে মুসলিম ও কুরী দের মধ্যে বেশ কিছু খন্ডযুদ্ধ হয়। বদর ছিল দুই বাহিনীর মধ্যে প্রথম মকিারের যুদ্ধ। যুদ্ধে সুসংগঠিত মুসলিমরা মক্কার সৈনিকদের সারি ভেঙে লতে সক্ষম হয়। যুদ্ধে মুসলিমদের প্রধান প্রতিপক্ষ আবু জাহল নিহত তা ছাড়া মুসলমান সৈন্য ১৪ জন শহীদ হন, আর কাফের সৈন্য ৭০ জন এবং ৭০ জন বন্দি হয়। মুসলিমদের বিজয়ের অন্যদের কাছে পৌছায় যে মুসলিমরা আরবে নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এর ফলে নেতা হিসেবে মুহাম্মদের অবস্থান দৃঢ় হয়।  হযরত উবাইদা ইবনে হাত হাজির আনসার সাহাবী গন শহীদ হয়। নেতা হিসেবে মুহাম্মাদের অবস্থান দৃঢ় হয় মুসলিমদের বিজয়ের অন্যদের কাছে বার্তা পৌছায় যে মুসলিমরা আরবে নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

(গ) উহুদ যুদ্ধের কারণ ও ফলাফলঃ

উহুদ যুদ্ধের কারনঃ

১. স্বার্থপর ইহুদিদের কুমন্ত্রণাঃ বদরের যুদ্ধে শােচনীয়ভাবে পরাজিত কুরাইশগণ ভগ্নোদ্যম হয়ে পড়ে। কিন্তু মদিনার স্বার্থপর ইহুদিগ৷ ইহুদিগণ কাব্য ও রম্যরচনার মাধ্যমে এবং কুমন্ত্রণার সাহাতে কুরাইশদেরকে কুমন্ত্রণা সতেজ করে তুলতে তৎপর হল কুরাইশদেরকে নয় , বেদুইনদেরকেও তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ভিত করে তােলে।

২) মদিনার ক্রমােন্নতিঃ কুরাইশদের স্বার্থের ই বদরের যুদ্ধের পর মদিনার ক্রমােন্নতি এবং দ্রুতগতিতে ইস মের প্রসার লাভ মক্কাবাসিগণ কিছুতেই সহ্য করতে পারল না। এ এ যুদ্ধে পরাজয় বরণ করায় কুরাইশদের রাজনৈতিক প্রাধান্ত এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ ও সুযােগ – সুবিধা সবই বিনষ্ট হতে লাগল। কাজেই তারা আরও একবার মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জোর প্রস্তুতি। করে। বদরের যুদ্ধের পরাজয়ের গ্লানি এবং শাইবা , উতবা , আবু জেহেল প্রমুখ বীরের মৃত্যুর কথা মক্কাবাসী কোনােক্রমেই। করতে পারল না।

৩)প্রতিশোধ গ্রহণের আকাক্ষাঃ তারা এর প্রতিশােধ গ্রহণে বদ্ধপরিকর হল এবং কুরাইশ ঘােষণা করল যতদিন তারা প্রতিশােধ গ্রহণ করে প্রতিশােধ গ্রহণেৰ মুসমানদেরকে সমুচিত শাস্তি না দিতে পারবে ততদিন পর্যন্ত তারা সর্বপ্রকার আরাম – অষস ভােগে বিরত থাকবে এবং তৈল বা নারী স্পর্শ করবে না। ৪. উমাইয়া ও হাশিমীয়দের মধ্যে শক্রতা; হযরত মুহাম্মদ (স.) ছিলেন বানু হাশিম গাত্রের লােক। তার নেতৃত্বে বানু হাশিমের সাফল্য বানু উমাইয়া গাত্রের গৌরব ও প্রতিষ্ঠার মর্মমূলে চরম আঘাত করেছিল। কুরাইশ বণিকগণ তাদের হাশিমীয়দের মধ্যে বাণিজ্যিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য আবু সুফিয়ানের হাতে যুদ্ধের প্রস্তুতি ও ব্যয়সাপেক্ষে অনেক টাকা পয়সা দিল। বিখ্যাত তীরন্দাজ ওত্বশীকে কুরাইশগণ তাদের দলভুক্ত করে নেয়। সমরসজ্জায় অনেক অর্থব্যয় করে তারা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হল । আবার যুদ্ধের উন্মাদনা প্রজ্জ্বলিত হয়ে ওঠে।

উহুদ যুদ্ধের ফলাফলঃ

১. মুসলমাদের অগ্নিপরীক্ষা: উহুদ যুদ্ধ ছিল মুসলমানদের এক অগ্নিপরীক্ষা। আল্লাহ পাক উহুদের যুদ্ধের মাধ্যমে মুসলমানদের হযরত মুহাম্মদ (সা) এর ধৈর্য ঈমান পরীক্ষা মাধ্যমে যে ক্ষিা নিচ্ছেন।

২. মুসলমানদের ঈমান ও ধৈর্যের পরীক্ষা: উহুদ ধ্যমে আল্লাহতায়ালা তাঁর নবি হযরত মুহাম্মদ (সা) কে ঈমান ও ধৈর্যের ীক্ষা নিয়েছিলেন। আর যে পরীক্ষায় হযরত মুহাম্মদ (সা) কৃতকার্য

৩, নেতার আদেশ অমান্য প্রতিদানঃ নেতা হিসেবে যে। ‘আদেশ করেছিলান তা অমান্য করে মুসলিম কিগণ অবশ্যম্ভাবী জয়। অর্জনে ব্যর্থ হয়ে এক মহান শিক্ষা লাভ করে। রবর্তীকালে আর কোন যুগ্ধে মুসলমান সৈন্য বাহিনী ইউরােপ মারার ভুল করেনি। মুসলমানদের জন্য এ যুদ্ধে পরাজযু পরােক্ষ আশীর্বা

৪, কাফেরদের জয়ঃ মক্কাবাসী গান যুদ্ধে জয়লাভ করলেও তাদের ক্ষতির পরিমাণ এত অধিক ছিল যে, তারা বিজয় উল্লাস করতে সমর্থ হয়নি। তারা কোন মানকে বন্দি করে নিয়ে যেতে নগরীকেও কেউ আক্রমণ করতে দী পায়নি। তারা স্ব স্ব গৃহে প্রত্যাবর্তন করে।

উহুদ যুদ্ধের শিক্ষা:

উহুদ যুদ্ধ থেকে মুসলমানদের জন্য কয়েকটি শিক্ষা নিচে উল্লেখ করা হলােঃ

১, সবকিছুর ভরসা এক আল্লাহঃ উহুদের যুদ্ধে নবী করীম (সা.) যখন দেখলেন, আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দা কবিতা দিয়ে কাফেরদের মাঝে উম্মাদনা সৃষ্টি করছে তখন নবী করীম (সা.) এই দোয়া পড়েন, ‘হে আল্লাহ! আমি তােমার কাছ থেকেই শক্তি সঞ্চয় করি,তােমার নামেই যুদ্ধ। পরিচালনা করি এবং তােমার দ্বীনের জন্যই লড়াই করি। আমার জন্য আল্লাহ তায়ালাই যথেষ্ট তিনি উত্তম অভিভাবক। এই দোয়ার প্রতিটি শব্দ আল্লাহ তায়ালার সঙ্গে বান্দার সম্পর্ককে নিবিড় করে।

২. অমুসলিমদের জন্য বদদোয়া না করা: উহুদের যুদ্ধে আহত হয়ে নবী করীম (সা.) বলেন, ওরা কেমন নিজেদের মাঝে প্রেরীত নবীকে আঘাত করে তখন কোরআনের আয়াত নাজিল হয়। যাতে বলা হয়েছে, তাদের তওবা 1 করা বা তাদেরকে শাস্তি দেয়া আল্লাহর ইচ্ছায়। এখানে আপনার কোন দখল নেই।

৩. দায়িত্বশীলের নির্দেশ মান্য করার গুরুত্ব:

উহুদের যুদ্ধে অনিলের পরাজয়ের বাহ্যিক কারণ মনে করা হয় তীরন্দাজ বাহিনী নিজেদের স্থান ত্যাগ করা। অথচ তাদের বলা হয়েছিলাে কোনাে অবস্থাতে ওই স্থান ত্যাগ করা যাবে না। এর দ্বারা আমীর বা নেতৃত্বে নির্দেশ মানার গুরুত্ব বুঝে আসে৷ সকল বিষয়ের প্রকৃত গুরুত্ব আমীর বা নেতার এতেই থাকে। তাই অন্যদের দৃষ্টিতে ভিন্ন কিছু মনে হলেও সকলের নেতার নির্দেশকেই একবাক্যে মেনে নেয়া

৪, প্রশিক্ষণের গুরুত্ব: রাসূল। । আমাদের মতােই মানুষ। আর মানুষ মাত্রই মরনশীল। তাই তিনি যেকোনো মুহূর্তে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে পারেন। কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম, যারা নজেদের জীবনের চেয়ে তাকে ভালােবাসতেন হঠাৎ তিনি বিদায় নিলে সহ্য করতে পারবেন না। তাই তাদের উপলব্ধিকে জাগ্রত করার সুল (সা.) এর মৃত্যুর সংবাদ প্রচার করা হলাে যেন। তাদের উপন্ধিতে থাকে যে তিনি মৃত্যুবরণ করতে পারেন। তাছাড়া আল্লাহর কূিল, দুন্যিার প্রতি লােভের ক্ষতি ইত্যাদিও উহুদের যুদ্ধ থেকে শেখা যু

৫, কোন কিছুতে লােভ না করা; উহুদ যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল (সা.) মুসলমানদের যে গিরিপথে রেখে গিয়েছিলেন, সেখানে যদি তারা অবস্থান করতাে তাহলে এরকম মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতাে না। মুসলমানরা গনিমতের মালের লােভে গিরিপথ ছেড়ে দেই, আর এটাও ছিল শয়তানের কুমন্ত্রণা | এজন্য লােভ থেকে দূরে থাকা উচিত। উপসংহার: উহুদ যুদ্ধ ছিল মুসলমানদের বড় একটি পরীক্ষা। এখান থেকে মুসলমানগন শিক্ষা লাভ করেন পরবর্তীতে এই শিক্ষার ফলে কোন যুদ্ধে এরকম ভুল হয়নি।

আরও দেখুনঃ

আলিম ব্যাচ 2021 আল ফিকহ ১ম পত্র চতুর্থ সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর। Alim Batch-2021 Assignment

Check Also

বাংলাদেশের লােকশিল্পের বিলুপ্তির কারণ এবং লােকশিল্প সংরক্ষণের উপায়।

৮ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট এর নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর প্রকাশ করা হলো। প্রিয়  ৮ম শ্রেণীর …