তােমার পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টিতে যে অনুজীবগুলােকে দায়ী মনে করছ,…..

সপ্তম শ্রেণি 2022 শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের তৃতীয় সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর প্রকাশ করা হলো। ফলে আপনার যদি সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন এবং তৃতীয় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট এর পূর্ণাঙ্গ উত্তর চান তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য। কারণ আমরা ইতোমধ্যে সপ্তম শ্রেণীর তৃতীয় সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন প্রকাশ করেছি আজ তার উত্তর প্রকাশ করা হলো। ফলে শিক্ষার্থীরা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে নমুনাও সংগ্রহ করে খুব সহজে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করে নিতে পারবে। সপ্তম শ্রেণীর তৃতীয় সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর ডাউনলোড করতে নিচের অংশ ভালভাবে পড়ুন।

সপ্তম শ্রেণি বিজ্ঞান তৃতীয় সপ্তাহ এসাইনমেন্ট উত্তর 2022

প্রিয় সপ্তাহ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। চলুন দেরি না করে আপনাদের তৃতীয় সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখে নেয়া যাক। উত্তর লেখার পূর্বে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রশ্নটিই ভালোভাবে দেখে প্রশ্নের নং অনুযায়ী অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর সংগ্রহ করার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

উত্তর:

তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

প্রধান শিক্ষক,

মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ঢাকা।

বিষয় : স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টিতে জীবের প্রভাব এবং সচেতনতা সৃষ্টি” সম্পর্কিত প্রতিবেদন। জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আপনার আদেশ নং ম.উ.বি ৩১৯৮-৬ তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ অনুসারে সৃষ্টিতে জীবের প্রভাব এবং সচেতনতা সৃষ্টি ” সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি নিম্নে পেশ করছি।

ক) অনুজীব দুটির নাম উল্লেখ করা ও প্রকৃতি বর্ণনাঃ

অণুজীবঃ নিম্মশ্রেণির যে সকল জীব অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য ছাড়া দেখা যায় না, তাদেরকে অণুজীব বলে। উদ্দীপকে উল্লিখিত ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া ও অ্যামিবা হচ্ছে অণুজীব। নিম্মে অণুজীব হিসেবে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার প্রকৃতি বর্ণনা করা হলােঃ ভাইরাসের প্রকৃতিঃ ভাইরাস অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব। এদের দেহে কোষপ্রাচীর, প্লাজমালেমা, সুগঠিত নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি কিছুই নেই। এরা শুধু প্রােটিন আবরণ ও নিউক্লিক এসিড নিয়ে গঠিত। এজন্য ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয়।
ব্যাকটেরিয়ার প্রকৃতিঃ ব্যাকটেরিয়া হলাে আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত অণুজীব। এরা সচরাচর অসবুজ ও এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব। এদেও কোষের কেন্দ্রিকা সুগঠিত নয়। কেন্দ্রিকা সুগঠিত থাকায় ব্যাকটেরিয়াকে আদিকোষী বলা হয়। এর কোষ, সাধারণত গােলাকার, দন্ডাকার, কম আকার, প্যাচানাে ইত্যাদি আকৃতির।
খ. স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টিতে অনুজীব দুটির প্রভাব বর্ণনা
স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টিতে ভাইরাস ও এন্টামিবা অণুজীব দুইটির প্রভাব নিম্মে আলোচনা করা হলোঃ
স্বাস্থ্য বাকি সৃষ্টিতে ভাইরাসের প্রভাব
১। স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টিতে ভাইরাস মারাত্মক রূপ ধারণ করে। যেমন- মানবদেহে ভাইরাস সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি রােগ সৃষ্টি করে।
২। ভাইরাসের সংক্রমণে এইডস রােগ হয়। অসুস্থ লােকের রক্ত গ্রহণ, মাদক গ্রহণ, এক সুইয়ে বহু লােকের ইনজেকশন গ্রহণ ও অসামাজিক কর্মকান্ডে এ রােগ ছড়ায়।
৩। স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টিতে এন্টামিবা ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে। এন্টামিবা অণুজীব দ্বারা এমবিক আমাশয় হতে পারে। সাধারণ এন্টামিবা নামক এককোষী প্রাণীর আক্রম এমিবিক আমাশয় হয়ে থাকে। ৪। এটি মানুষের বৃহদান্তে অবস্থান করে এবং কোষ বিভাজন ও অণুজীব সৃষ্টির মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।

গ. অনুজীব সৃষ্ট স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরােধে করণীয়

বিভিন্ন ধরনের অণুজীব মানবদেহে নানা রকম রােগ সৃষ্টির মাধ্যমে স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে থাকে। এসব রােগ থেকে নিরাপদ থাকতে যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হলাে- কীভাবে রােগজীবাণুটি ছড়ায় সে সম্পর্কে ভালাে ধারণা রাখা। স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরােধে করণীয় সমূহ নিম্মরূপ

১। হাতের নখ নিয়মিত কেটে ফেলতে হবে।

২। খাওয়ার আগে এবং মলত্যাগের পর সাবান বা ছাই দিয়ে ভালােভাবে হাত ধুতে হবে।

৩। বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। পর্চা ও বাসি খাবার পরিহার করতে হবে।

৪। খােলা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে এবং স্যানেটারি পায়খানা ব্যবহার করতে হবে।

ঘ. অনুজীব সৃষ্ট স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে সচেতনতা সৃষ্টিতে করণীয়

বিভিন্ন ধরনের অণুজীব মানবদেহে স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে থাকে। এসকল অনুজীব সৃষ্ট স্বাথ্য ঝুঁকি এড়াতে সচেতনতা সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অ্যান্টামিবার মতাে অণুজীবের কারণে মানব দেহে নানা রকমের রােগ সৃষ্টি হয়। এসব রােগ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
যেমন- ভাইরাসজনিত রােগে আক্রান্ত হলে আক্রান্ত রােগীর মাধ্যমে সুস্থ দেহে এর জীবাণু ছড়িয়ে পরে। তাই ভাইরাসজনিত জীবাণু প্রতিরােধে সচেতনতা হিসেবে হাচি-কাশির সময় রুমাল ব্যবহার করা যেতে পারে।
যেখানে-সেখানে থুথু ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে। নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহাওে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। আবার, অ্যান্টামিবা অণুজীব দ্বারা আক্রান্ত হলে এমিবিক আমাশয় হয়। এক্ষেত্রে, মলত্যাগের পর ও খাওয়ার পূর্বে নিয়মিত হাত ধুয়ে নিতে হবে। নিয়মিত হাত ও পায়ের নখ কাটতে হবে।
খাবারের পূর্বে নিয়মিত হাত ধুয়ে নিতে হবে।
নিয়মিত হাত ও পায়ের নখ কাটতে হবে।
বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে এবং স্বাস্থ্যসম্মত পায়খান ব্যবহার করতে হবে।
এরুপ সচেতনতা এ রােগ থেকে মুক্ত রাখতে ভূমিকা রাখবে। পরিশেষে বলা যায়, অণুজীব সৃষ্ট স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে সচেতনতা তৈরি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এরুপ অণুজীব সৃষ্ট রােগ হতে বাঁচার উপায় হিসেবে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
সুতরাং, উপরােক্ত করণীয়সমূহ পালনের মাধ্যমে আমরা অণুজীব সৃষ্ট স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরােধে সক্ষম হতে পারব।

আরও দেখুনঃ

৭ম শ্রেণি [৩য় সপ্তাহ] বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর 2022। পিডিএফ উত্তর ডাউনলোড করুন এখানে

Check Also

৮ম শ্রেণি [৩য় সপ্তাহ] বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর 2022। পিডিএফ উত্তর ডাউনলোড করুন এখানে

অষ্টম শ্রেণীর 2022 শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর জন্য নির্ধারিত বিষয় এবং বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন …