জানা থেকে অজানায় গমনই প্রকৃত আরোহের প্রাণ ধারণাটির যৌক্তিক বিশ্লেষণ। এইচএসসি 2021 যুক্তিবিদ্যা ৫ম সপ্তাহ

এইচএসসি 2021 সালের পঞ্চম সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র অ্যাসাইনমেন্টের নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর প্রকাশ করা হলো। আমরা বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে এইচএসসি মানবিক বিভাগের যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন সংগ্রহ করে নির্দেশনা অনুযায়ী চারটি প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে পড়ে অ্যাসাইনমেন্টে আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করেছি। ফলে এইচএসসি 2021 সালের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র অ্যাসাইনমেন্ট এর পূর্ণাঙ্গ উত্তর ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এইচএসসি 2021 মানবিক বিভাগ যুক্তিবিদ্যা অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর পেতে নিচের অংশ ভালভাবে পড়ুন।

এইচএসসি 2021 পঞ্চম সপ্তাহ যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র এসাইনমেন্ট প্রশ্ন

ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে আমরা যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তরের পাশাপাশি এর প্রশ্ন প্রকাশ করেছি। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে যুক্তিবিদ্যা প্রথম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্টের প্রশ্ন দেখে প্রশ্ন নং অনুযায়ী উত্তর ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এতে করে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরীর সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। নেটে এইচএসসি 2021 যুক্তিবিদ্যা প্রথম সপ্তাহ আছেন মেন্টের প্রশ্ন দেওয়া হল।

অ্যাসাইনমেন্টঃ

জানা থেকে অজানায় গমনই প্রকৃত আরোহের প্রাণ ধারণাটির যৌক্তিক বিশ্লেষণ।

নির্দেশনাঃ 

  1. আরােহমূলক লম্ফ,প্রকৃত আরােহ ও প্রকৃত আরােহের প্রকারভেদ উপস্থাপন
  2. *বৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক আরােহের সংজ্ঞা উদাহরণসহ লেখা
  3. *বৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক আরােহের সংজ্ঞা দিয়ে সম্পর্ক ব্যাখ্যা
  4. *জানা থেকে আজানায় গমনই প্রকৃত আরােহের প্রাণ- ধারণাটির যৌক্তিকতা নিরূপন ও নিজস্ব মত উপস্থাপন

এইচএসসি 2021 যুক্তিবিদ্যা পঞ্চম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট উত্তর

আপনি কি এইচএসসি 2021 সালের যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র অ্যাসাইনমেন্টের পূর্ণাঙ্গ উত্তর চাচ্ছেন? আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে বিশেষজ্ঞ শিক্ষকের মাধ্যমে যুক্তিবিদ্যা আছেন মেন্টের নির্দেশিত চারটি প্রশ্নের সংবলিত এর পূর্ণাঙ্গ উত্তর তৈরি করে আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করেছি। চলুন উত্তর দেখে নেয়া যাক।

উত্তরঃ

(ক)বিষয়বস্তু উপস্থনাঃ

সাধারণভাবে কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্তের অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত স্থাপন করার প্রক্রিয়াকে আরােহ বলে। আমাদের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বাস্তব জগতের কতিপয় বিশিষ্ট ঘটনা সম্বন্ধে আমরা যে জ্ঞান লাভ করি তার উপর নির্ভর করে আরােহ অনুমানের সাহায্যে কোনাে একটি শ্রেণি সম্পর্কে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত স্থাপন করি। অর্থাৎ এ অনুমানে আমরা কিছু থেকে সমগ্রে, নিরীক্ষিত ঘটনা থেকে অনিরীক্ষিত ঘটনায় এবং বিশেষ থেকে সার্বিক বাক্যে পদার্পণ করি। এক্ষেত্রে কতিপয় দৃষ্টান্ত পরীক্ষা করে রােমূলক লক্ষের সাহায্যে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির সকল সম্পর্কে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। এরূপ অনুমানের আশ্রয়বাক্যগুলাে সাধারণত বিশিষ্ট যুক্তিবাক্য এবং সিদ্ধান্ত সার্বিক যুক্তিবাক্য হয়ে থাকে।যেমনঃ রাশেক হয় মরণশীল। রাশেক হয় মরণশীল,বারেক হয় মরণশীল, শাকের হয় মরণশীল,জাকের হয় মরণশীল, রাশেদা হয় মরণশীল,মাের্শেদা হয় মরণশীল,তামান্না হয় মরণশীল। অতএব সকল মানুষ হয় মরণশীল। আলােচ্য দৃষ্টান্ত অনুসারে আমরা প্রথমে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে রাশেক, বারেক, শাকের, জাকের, রাশেদা, মাের্শেদা ও তামান্নার মরণশীলতা সম্বন্ধে প্রত্যক্ষ জ্ঞান লাভ করি।

প্রকৃত আরােহঃ প্রকৃত আরােহ বা যথার্থ আরােহ (Induction Proper) যুক্তিবিদ জন স্টুয়ার্ট মিল (John Stuart Mill) এর মতে, যে সব যুক্তিপদ্ধতিতে আরােহের মূল বৈশিষ্ট্য তথা আরােহাত্মক উল্লম্ফন বিদ্যমান সেগুলােকে প্রকৃত আরােহ বা যথার্থ আরােহ (Induction Proper) বলা হয়। প্রকৃত আরােহে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্তের ভিত্তিতে একটি সার্বিক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং এটি প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়ম অনুসরণ করে। যেমন মৌসুমী হয় মরণশীল। রবি হয় মরণশীল। রফিক হয় মরণশীল। কেয়া হয় মরণশীল। অতএব সকল মানুষ হয় মরণশীল। আলােচ্য দৃষ্টান্তে দেখা যাচ্ছে যে, প্রথমে অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মৌসুমী, রবি, রফিক, কেয়া প্রমুখের মরণশীলতা সম্বন্ধে প্রত্যক্ষ জ্ঞান লাভ করা হয়েছে। এরপর প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতিতে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং কার্যকারণ নিয়ম অনুসরণ করে সব মানুষের মরণশীলতা সম্পর্কে একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তাই এটি একটি প্রকৃত আরােহ।

(খ) সজ্ঞা ও উদাহরন বিশ্লেষণঃ

বৈজ্ঞানিক আরােহঃ বৈজ্ঞানিক আরােহ (Scientific Induction)ঃআরােহ অনুমানের যে প্রক্রিয়ায় প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের উপর নির্ভর করে কয়েকটি বিশিষ্ট দৃষ্টান্তের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য স্থাপন করা হয় তাকে বৈজ্ঞানিক আরােহ বলে। বৈজ্ঞানিক আরােহে অন্যান্য আরােহের ন্যায় কেবল বিশেষ কয়েকটি দৃষ্টান্ত নিরীক্ষণের অভিজ্ঞতা থেকেই সিদ্ধান্ত টানা হয় না। এক্ষেত্রে বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের মধ্যে কার্যকারণ সার্কও স্থাপন করা হয়। রেহানা হয় মরণশীল,রাজিব হয় মরণশীল। সকল মানুষ হয় মরণশীল। আলােচ্য দৃষ্টান্তে রাসেল, রাহেলা, রেহানা, রাজিব প্রমুখ কতিপয় ব্যক্তি মানুষের মৃত্যুর বাস্তব ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে মানুষ ও মরণশীলতার মধ্যে একটি কার্যকারণ আবিষ্কার পূর্বক প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির উপর নির্ভর করে সব মানুষের মরণশীলতা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত অনুমান করা হয়েছে। সুতরাং এটি বৈজ্ঞানিক আরােহের একটি যথার্থ দৃষ্টান্ত।

অবৈজ্ঞানিক আরােহের সংজ্ঞাঃ অবৈজ্ঞানিক আরােহের সংজ্ঞা ও উদাহরণ (Definition and Example of Unscientific Induction) যে আরােহ অনুমানে কার্য-কারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করে শুধুমাত্র প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও অবাধ বা বিরােধহীন অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্তে একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য স্থাপন করা হয় তাকে অবৈজ্ঞানিক আরােহ ব৮ে। এ অনুমান প্রক্রিয়ায় কার্য-কারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের প্রচেষ্টা নেই বলেই এটিকে অবৈজ্ঞানিক আরােহ বলা হয়। আবার এর সিদ্ধান্তে যে সার্বিক যুক্তিবাক্যটি স্থাপন করা হয় তার অন্তর্গত সকল দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণ না করে অল্প সংখ্যক সমজাতীয় দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে সার্বিকীকরণ করা হয় বলে একে অপূর্ণ গণনামূলক আরােহও বলা হয়ে থাকে। দৃষ্টান্ত কখনাে দেখিনি। সুতরাং ঘটনাটি সত্য।’ অবৈজ্ঞানিক আরােহের উদাহরণঃ আমি এ পর্যন্ত যত বক দেখেছি, এর সব গুলােই সাদা রঙের দেখেছি, একটি বকও অন্য রঙের দেখিনি। আমার এই বিরােধহীন ও ব্যতিক্রমহীন অভিজ্ঞতা থেকেই অনুমান করলাম যে, ‘সকল বক হয় সাদা’। অর্থাৎ কেবলমাত্র অবাধ বা বাধাহীন অভিজ্ঞতা ও প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির উপর বিশ্বাস স্থাপন করে আমি একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম। এক্ষেত্রে বক কেন সাদা হলাে তা নির্ণয়ের বা কার্য-কারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়নি। তাই আমার সিদ্ধান্ত গ্রহণের এ প্রক্রিয়াটি হলাে অবৈজ্ঞানিক আরােহ।

(গ)সম্পর্ক ব্যাখ্যাঃ

বৈজ্ঞানিক আরােহ ও অবৈজ্ঞানিক আরােহের সম্পর্ক (Relation between Scientific Induction and Unscientific Induction) বৈজ্ঞানিক আরােহ ও অবৈজ্ঞানিক আরােহ উভয়ই প্রকৃত আরােহ। আরােহ অনুমানের যে প্রক্রিয়ায় প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও কার্যকারণ নিয়মের উপর নির্ভর করে কয়েকটি বিশিষ্ট দৃষ্টান্তের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য স্থাপন করা হয় তাকে বৈজ্ঞানিক আরােহ বলে। পক্ষান্তরে, যে আরােহ অনুমানে কার্য-কারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চেষ্টা না করে শুধুমাত্র প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি ও অবাধ বা বিরােধহীন অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্তে একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য স্থাপন করা হয় তাকে অবৈজ্ঞানিক আরােহ বলে। আমরা জানি যে, দু’টি বিষয়ের সম্পর্ক বলতে উভয়ের মধ্যকার সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতাকে নির্দেশ করে।
তাই বৈজ্ঞানিক আরােহ ও অবৈজ্ঞানিক আরােহের সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য এ পাঠে উভয়ের মধ্যকার সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা নিয়ে আলােচনা করা হলাে : বৈজ্ঞানিক আরােহ ও অবৈজ্ঞানিক আরােহের সাদৃশ্যসমূহ (Similarities between Scientific Induction and Unscientific Induction) বৈজ্ঞানিক আরােহ ও অবৈজ্ঞানিক আরােহের মধ্যকার সাদৃশ্যসমূহ নিম্নরূপে উপস্থাপন করা হলাে ১। বৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক উভয় আরােহই ঘটনার পর্যবেক্ষণ ভিত্তিক। কেননা উভয় আরােহের ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে বাস্তব ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণ করতে হয়। ২। উভয় আরােহের লক্ষ্য হলাে সিদ্ধান্তে একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য প্রতিষ্ঠা করা। ৩। বৈজ্ঞানিক ও অবৈজ্ঞানিক উভয় আরােহেই আরােহাত্মক উল্লম্ফন উপস্থিত থাকে। কারণ উভয় আরােহেই জানা থেকে অজানায়, নিরীক্ষিত থেকে অনিরীক্ষিতে এবং বিশেষ থেকে সার্বিকে যাওয়া হয়। আর এ কারণেই উভয় আরােহই প্রকৃত আরােহের অন্তর্ভুক্ত।

ঘ. জানা থেকে অজানা গমনই প্রকৃত আরােহের প্রাণ ধারণার যৌক্তিকতা নিরূপণঃ

আবােহ অনুমানের জানা আশ্রযবাক্য থেকে অজানা সিদ্ধান্তে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরােহমূলক লম্ফ বলে। যেমন- ক, খ ও গ নামক ব্যক্তির মৃত্যুদেথে সকল মানুষহয় মরণশীল’ এরূপ অনুমান করার প্রবণতা হলাে আরােহমূলক লম্ফ। আরােহমূলক লষ্ক ছাড়া প্রকৃত আরােহের সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। এ কারণে আরােহমূলক লম্ফকে আরােহের প্রাণ বলা হয়। আরােহে আমরা জানা থেকে অজানায় গমন করি অর্থাৎ দেখা ঘটনা থেকে অদেখা বিশেষ দৃষ্টান্তসমূহ প্রত্যক্ষ করি এবং তা থেকে সার্বিক সিদ্ধান্ত অনুমান করি। এভাবে আমরা জানা থেকে অজানার উদ্দেশ্য লক্ষ্য প্রদান করি। এই লক্ষ্য প্রদানে ঝুঁকি আছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও মিল এবং বেইন মনে করেন যে, আরােহমূলক লক্ষ্য হচ্ছে আরােহের প্রাণ। যে অনুমানে এই বৈশিষ্ট্যটি নেই, সে অনুমান আরােহ ন্য। আরােহ দু’টো পূর্ব অনুমানের উপর নির্ভর করে। যথা
(ক) প্রাকৃতির রাজ্যের নিয়মের ব্যতিক্রম হয় না। প্রথমেই এই সত্যটা স্বীকার করে নিলে আরাে জানা থেকে অজানায় বিশেষ থেকে সার্বিক সিদ্ধান্তে আমরা যেতে পারিনা। প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতিতে বিশ্বাসের ফলেই আমরা বিশেষ কয়েকটা দৃষ্টান্ত দেথে সার্বিক সিদ্ধান্ত অনুমান করতে পারি। প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নিয়মের ভিত্তিতে সার্বিক সিদ্ধান্ত উপনীত হবার আগে অবশ্যই কার্যকারণ নিয়মের ভিত্তিতে কার্যকারণ সম্পর্কটা আবিষ্কার করতে হবে।
(খ) কার্যকারণ নিয়মের অর্থ হচ্ছে: প্রতিটি ঘটনারই একটি বিশেষ কারণ আছে। সমস্তু পার্থিব ব্যাপারই কার্যকারণ সম্পর্কযুক্ত। যেমন, কার্যকারণ নিয়মের ভিত্তিতেই আমরা মানুষ’ ও ‘মরণশীলতা’র মধ্যে একটা কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার করি। এর পরেই আমরা প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতি আবিষ্কার করি। এর পরেই আমরা প্রকৃতির নিয়মানুবর্তিতা নীতির উপর ভিত্তি করে আরও অনুমান করতে পারি যে, সকল মানুষ হ্য মরণশীল’। উপরােক্ত আলােচনা থেকে দেখা যায় যে জানা থেকে অজানা গমন করা হয় তাই এটিকে প্রকৃত আরােহের প্রাণ উক্তিটি যথার্থ বলে আমি মনে করি।

আরও দেখুনঃ

এইচএসসি 2021 অর্থনীতি ৫ম সপ্তাহ এসাইনমেন্ট উত্তর। HSC Exam Batch-2021 Assignment

2021 এইচএসসি  পৌরনীতি ও সুশাসন [৫ম সপ্তাহ] এসাইনমেন্ট উত্তর। এইচএসসি পরীক্ষার্থী 2021 অ্যাসাইনমেন্ট।

এইচএসসি 2021 সালের ভূগোল [৫ম সপ্তাহ] এসাইনমেন্ট উত্তর। এইচএসসি পরীক্ষার্থী 2021

Check Also

বই পড়ার অভ্যাস গঠনে লাইব্রেরির গুরুত্ব বিশ্লেষণ। ৯ম শ্রেণি [৩য় সপ্তাহ] বাংলা

৯ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট এর নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর প্রকাশ করা হলো। প্রিয়  ৯ম শ্রেণীর …