কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে আমার করণীয়। কুরআন ও হাদিসের আলোকে সমাজ সেবার গুরুত্ব। কোভিড পরিস্থিতিতে যে সব সহায়তা লাগবে তার তালিকা….

অষ্টম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা 14 তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর প্রকাশ করা হলো। বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত অষ্টম শ্রেণীর 14 তম সপ্তাহের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট এর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে আমরা প্রত্যেকটি প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর তৈরি করে আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করেছি। অষ্টম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা 14 তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর পেতে নিচের অংশ ভালভাবে দেখুন।

৮ম শ্রেণি ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা [১৪ তম সপ্তাহ] অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর 2021

প্রিয় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের বিষয়ে সকল শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা তোমাদের 14 তম সপ্তাহের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর তৈরি করেছে যা সর্বোচ্চ নম্বর পেতে সহযোগিতা প্রদান করবে। নিচের অংশে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন এবং প্রশ্নের নিচে উত্তর দেওয়া হল।

সংকেতঃ

  1. কুরআন ও হাদিসের আলােকে সমাজ সেবার গুরুত্ব।
  2. কোভিড পরিস্থিতিতে যে সব সহায়তা লাগবে তার তালিকা।
  3. কীভাবে অর্থ সংগ্রহ করা যেতে পারে তার পরিকল্পনা
  4. সংগৃহিত অর্থ উক্ত জনগােষ্ঠীর সহায়তার জন্য কীভাবে ব্যয় করবে তার নির্দেশনা

উত্তরঃ

ভূমিকা: সামাজের বঞ্চিত জনগােষ্ঠীর কল্যাণে স্বেচ্ছায় গৃহীত কাজকে সামজে সেবা বলে। ব্যাপক অর্থে মানবকল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য গৃহীত সকল কর্মসূচিই সমাজসেবা নামে পরিচিত।

১) কুরআন হাদিসের আলােকে সমাজ সেবার গুরুত:

সমাজে নানা শ্রেণি ও পেশার লােক বাস করে। তারা সকলে সমান নয়। তাদের সুযােগসুবিধা ও সমান নয়। কেউ বিপুল সম্পদের অধিকারী আবার কেউ কপর্দকহীন। সম্পদশালী ব্যক্তিগণ অভাবী জনগােষ্ঠীর উন্নয়নেও তাদের সম্পদ ব্যয় করবে। সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যাণে প্রতিষ্ঠান গড়বে। এটাই ইসলামের নির্দেশ। মহান আল্লাহ বলেন- ৮১১, অর্থঃ “এবং তাদের (ধনীদের) ধন-সম্পদে রয়েছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের হক।” অর্থশালী ব্যক্তি সমাজের অবহেলিত মানুষের কল্যাণে এমন প্রতিষ্ঠান গড়বে, যে প্রতিষ্ঠানে অভাবী লােকেরা কাজ করে তাদের আর্থিক সমস্যার সুরাহা করবে।

বাচার অবলম্বন খুজে পাবে। গ্রামের উন্নয়নের বিরাট বাধা দূর করার জন্য গ্রামে-গঞ্জে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তােলাসহ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তােলা সমাজসেবামূলক কাজ। সমাজকে অশিক্ষা ও নিরক্ষরতার হাত থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেনاقرأ باسم ربك الذي خلق অর্থঃ “পাঠ করুন আপনার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। হাদিসে বলা হয়েছে- طلب العلم فريضة على كل مسلم অর্থঃ জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ। সর্বস্তরের জনগণের উপকারে আসে এমন সব কাজের অভ্যাস ছােটবেলা থেকেই দরকার। যেমন- ভাঙা রাস্তা মেরামত করা, নতুন রাস্তা নির্মাণ করা, বৃক্ষ রােপণ করা বৃক্ষ সংরক্ষণ করা, পুল নির্মাণ করা ইত্যাদি।

২) কোভিড় পরিস্তিতিতে যে সব সহায়তা লাগবে তার তালিকাঃ

বর্তমান কোভিড ১৯ আমাদের দেশের যে অবস্তা দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ বা পরিবার গরিব। তার টিকমত তিন বেল ভাত খেতে পারে না। তাই এই কোভিড পরিস্তিতিতে ধনী বা সরকার তাদেরকে যে সাব সহায়তা করার দরকার তাদের একটি তালিকাঃ

  • তাদের জন্য খাদ্য বা খাবারের ব্যবস্তা করে দেয়া।
  • তাদের জন্য জমা-পােষাক এর ব্যবস্ত করে দেয়া।
  • যাদের ঘর-বাড়ি নেই তাদের ব্যবস্তা করা।
  • তাদের মাস্ক কিনে দিতে হবে। • তাদের নিত্য প্রয়ােজনিয় জিনিষ কিনে দিতে হবে।
  • *তাদের চিকিৎসার ব্যবস্তা করা।
  • তাদের বাচ্চাদের পড়া-লেখার ব্যবস্তা করে দেয়া। ব্যবস্থা করে দেয়া মােটকথা, এই কোভিড পরিস্তিতিতে মধ্যবৃত্ত ও ধনী মানুষ তাদের জীবনধারণের জন্য হিমশিম খাচ্ছে। সেখানে গরিব মানুষ কিভাবে খাবারের যােগান দিবে। তাই এসব গরীব লােকেদের সহায়তা করা। এবং তাদের পাশে থাকা।

৩) কীভবে অর্থসংগ্রহকরা যেতে পারে তার পরিকল্পনাঃ

আমরা সামজিক জীব। ধনী-গরিব মিলেই আমাদের এই সমাজ। আমরা যাতে সুন্দর ও সুষ্ঠ সমাজ গড়ে তুলতে পারি। তাই আমাদের কিছু পদক্ষেপ বা পরিকল্পনা করা দরকার । যেখানে সব শ্রেণির লােক যাতে সহায়তা পায় সে ব্যবস্তা করা। এজন্য আমাদের ধরকার অর্থ বা টাকা। সমাজের সব ধরনে মানুষ যদি সহায়তা করে তাহলে আমরা সুষ্ঠ সমাজ গড়ে তুলতে পারব। কীভাবে অর্থ বা টাকার যােগ দিতে হবে এ পরিকল্পনা নিম্নে দেয়া হল। একটি গ্রাম বা একটি ওয়ার্ড অথবা একটি থানা মিলে একটি সমাজ সেবা প্রতিষ্ঠা খােলে এর মাধ্যমে অর্থের যােগন সম্ভব।

  • সংঘনের মাধ্যমে।
  • মাসিক চাদার মাধ্যমে। (এখানে ধনী, গরিব সর্বরের মানুষ থাকবে।)
  • ঘােরাবা ফাওন্ড খােলে। বিদেশি ফাওন্ড খােলে। (যেখানে বিদেশি মানুষেরা অর্থে দিবে)

৪) সংগৃহিত অর্থ উক্ত জনগােষ্ঠির সহায়তার জন্য কিভাবে ব্যয় করবে তার নির্দেশনাঃ

এখন হলাে সবচেয়ে বড় কাজ হলাে এই অর্থ বা সহায়তা কিভাবে নির্দিষ্ট মানুষের কাছে পৌছতে হবে তার সুষ্ঠ পরিকল্পনা করা। এবং তাদের ভালাে-মন্দ যাচাই করে তাদের কোন খাতে ব্যায় করলে ভালাে হবে তা যাচাই করে ব্যয় করতে হবে। এই অর্থ সমাজের মানুষের যাতে লাভবান হয় তার দিকে নজর রাখা।

  • তাদের উন্নয়নে ব্যবহার করা।
  • যাদের খাদ্য নেই তাদেরকে খাদ্য দেয়।
  • যাদের ঘর-বাড়ি নেই তাদের ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে দেয়। . যাদের পড়া-লেখা সুযােগ নেই তাদের পড়া লেখার সুযােগ করে দেয়া। স্কুল-কলেজ না থাকলে স্কুল কলেজ করে দেয়া। সর্বমােট কথা, এই সংগৃহিত অর্থ বা টাকা যাতে সমাজের মানুষের কাজে লাগে সেভাবে ব্যয় করা।

সকল পোস্টের আপডেট পেতে ‍নিচের ফেসবুক আইকনে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেইজে জয়েন করুন।

Check Also

ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সাংস্কৃতিক উৎসবের পরিচয়। ৭ম শ্রেণি বাংলা [৩য় সপ্তাহ] এসাইনমেন্ট উত্তর

সপ্তম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট এর নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর প্রকাশ করা হলো। প্রিয় সপ্তাহ শ্রেণীর …