সৎকর্মশীল ও নৈতিক জীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাসের ভূমিকা বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন প্রনয়ন কর।

১০ম শ্রেণী বা এসএসসি 2022 সালের পরীক্ষার্থীদের ষষ্ঠ সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট এর সঠিক এবং নির্ভুল উত্তর প্রকাশ করা হলো। যে সকল ছাত্র-ছাত্রীরাও বর্তমানে দশম শ্রেণীতে আছেন তারা তাদের বিষয়ভিত্তিক অ্যাসাইনমেন্ট হিসেবে ষষ্ঠ সপ্তাহের ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট এর উত্তর ডাউনলোড করে নিতে পারেন। পূর্বের সপ্তাহের বিষয়গুলোর অ্যাসাইনমেন্টের উত্তরের ন্যায় এবারও আমরা ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট এর সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর তৈরি করেছি৷ গা ছাত্র-ছাত্রীদের অ্যাসাইনমেন্টের সর্বোচ্চ নম্বর পেতে সহযোগিতা প্রদান করে। এসএসসি 2022 সালের ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ষষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর পূর্ণাঙ্গ উত্তর ডাউনলোড করতে শেষের অংশ ভালভাবে পড়ুন।

১০ম শ্রেণি ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ৬ষ্ঠ সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন

এসএসসি 2022 সালের এমন অনেক শিক্ষার্থী আছেন যারা অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন না দেখেই উত্তর সংগ্রহ করে ভুল অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর তৈরি করে ফেলেন। তাদের কথা বিবেচনা করে আমরা প্রতিটি পোস্টের শুরুতে অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন এবং শেষে উত্তর দিয়ে থাকি। যাতে করে ছাত্র-ছাত্রীরা অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন দেখে বুঝে অ্যাসাইনমেন্টের প্রশ্নের নং অনুযায়ী উত্তর ডাউনলোড করে নিতে পারে। নিচে দশম শ্রেণীর ষষ্ঠ সপ্তাহের ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন দেওয়া হল।

অ্যাসাইনমেন্টঃ

সৎকর্মশীল ও নৈতিক জীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাসের ভূমিকা বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন প্রনয়ন কর।

শিখনফলঃ

  • নৈতিক জীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বসের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারবে।
  • আখিরাতে বিশ্বাস ও এর তাৎপর্য অনুধাবন করে পাপমুক্ত,সৎকর্মশীল ,নীতিবান ,মানবহিতৈষী ব্যক্তি হিসেবে জীবন গঠনে অনুপ্রাণিত হবে।

নির্দেশনাঃ

  1. *আখিরাতের ধারণা
  2. আখিরাতে বিশ্বাসের প্রয়োজনীয়তা
  3. *আখিরাতে বিশ্বাসীদের করণীয়
  4. আখিরাতের বিশ্বাসের প্রভাব

১০ম শ্রেণী ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ৬ষ্ঠ সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর 2021

প্রিয় এসএসসি 2022 সালের পরীক্ষা অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা। আপনারা যারা এখনো পর্যন্ত দশম শ্রেণীর ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ষষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের নির্ভরযোগ্য উত্তর পাননি তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারেন। চলুন দেরি না করে এসেছি 2022 সালের ষষ্ঠ সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট এর পূর্ণাঙ্গ উত্তর দেখে নেয়া যাক।

উত্তরঃ

তারিখ: ১৮ আগস্ট, ২০২১

বরাবর,

প্রধান শিক্ষক,

ঢাকা

বিষয় : সকর্মশীল ও নৈতিক জীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাসের সূত্র : স্মারক নং-আ.উ.বি/৩৭/২০২১ জনাব, আপনার আদেশক্রমে (স্মারক নং-আ.উ.বি/৩৭/২০২১) সকর্মশীল ও নৈতিক জীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাসের ভূমিকা বিশ্লেষণ বিষয়ক একটি প্রতিবেদন আপনার কাছে উপস্থাপন করছি।

আখিরাতের ধারণাঃ

আখিরাত মানে পরকাল। মৃত্যু-পরবর্তী জীবন হলাে আখিরাত। মানবজীবনের দুটি পর্যায়ের একটি ইহকাল বা দুনিয়ার জীবন। আর মৃত্যুর পরে মানুষের যে নতুন জীবন শুরু হয় তার নাম পরকাল বা আখিরাত আখিরাতের মাধ্যমে অনন্তকালের জীবন শুরু হয়। কারণ এই জীবনের শুরু থাকলেও শেষ নেই। এটি মানুষের চিরস্থায়ী আবাস। আখিরাতে মানুষের দুনিয়ার কাজকর্মের হিসাব নেওয়া হয়। এরপর ভালাে কাজের ইনামস্বরূপ জান্নাত এবং রািপ কাজের জন্য জাহান্নামে গিয়ে শাস্তি ভােগ করতে হয়।

আখিরাতে বিশ্বাসের প্রয়ােজনীয়তাঃ

ইসলামি জীবনদর্শনে আখিরাতে বিশ্বাস স্থাপন অপরিহার্য। এ বিশ্বাসের গুরুত্বও অপরিসীম। আখিরাতে বিশ্বাস ছাড়া মুমিন ও মুত্তাকি হওয়া যায় না। আল্লাহ তায়ালা বলেনوبالأخره يؤتيؤنڈ অর্থ: “আর তারা (মুত্তাকিগণ) আখিরাতে বিশ্বাস রাখে।” (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ৪)। তাওহিদ ও রিসালাতে বিশ্বাসের পাশাপাশি আখিরাতেও বিশ্বাস করা উচিত। আখিরাতে বিশ্বাস না করলে কেই মুমিন বা মুসলিম হতে পারে না। পরকালীন জীবনের সফলতা ও জান্নাত লাভ করার জন্যও আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। আখিরাতে বিশ্বাস না করলে মানুষ সত্যপথ থেকে দূরে সরে যায়, পথভ্রষ্ট হয়ে পড়ে।

আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ ومن يفر بالی وملیگیم و به ورسله واليوم الأخير فقد ضلوگاه অর্থঃ“আর কেউ আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসুলগণ এবং আখিরাত দিবসের প্রতি অবিশ্বাস করলে সে তাে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়ে পড়বে।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৩৬)। আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে পাপ থেকে বিরত রাখে এবং পূণ্য কাজ করতে উৎসাহ যােগায়। কেননা আখিরাতে বিশ্বাসী ব্যক্তি জানে যে, পরকালে তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে, দুনিয়ার সব কাজকর্মের হিসাব দিতে হবে। ফলে সে দুনিয়াতে অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকে। আখিরাতে অবিশ্বাসী মানুষ পাপাচার ও অশ্লীল কাজে জড়িয়ে পড়ে। কেননা সে পরকালীন জবাবদিহিতে বিশ্বাসী নয়। আখিরাতে বিশ্বাসী মানুষ কখনাে পাপাচার ও অশ্লীল কাজে জড়ায় না। অতএব, আখিরাতের প্রতি দৃঢ় ইমান আনা উচিত এবং আখিরাতে মুক্তির জন্য সৎ ও সুন্দর কাজ করা উচিত। এবং সাথে সাথে ইসলামের বিধি-বিধান অনুসরণ করে জীবন যাপন করতে হবে।

আখিরাতে বিশ্বাসীদের করণীয়ঃ

মৃত্যুর পরবর্তী জীবন হলাে আখিরাত। আখিরাত হলাে অনন্ত, চিরস্থায়ী জীবন। অন্যদিকেনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী। মানবজীবন গঠনের জন্য আখিরাতে বিশ্বাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাদ আছেالثيا مزرعة الأخيرة অর্থ: “দুনিয়া হলাে আখিরাতের শস্যক্ষেত্র।” মানুষ যেমন চাষাবাদ করে, বীজ বপন করে, যেভাবে পরিচর্যা করে; ঠিক সেরূপই ফল লাভ করে। তেমনি দুনিয়াতে ভালাে কাজ করলে আখিরাতে মানুষ তার পুরস্কার অবশ্যই পাবে।

অতএব আখিরাতে বিশ্বাসীদের করণীয়গুলাে হলােঃ মানুষ যেমন চাষাবাদ করে, বীজ বপন করে, যেভাবে পরিচর্যা করে; ঠিক সেরূপই ফল লাভ করে। তেমনি দুনিয়াতে ভালাে কাজ করলে আখিরাতে মানুষ তার পুরস্কার অবশ্যই পাবে। অতএব আখিরাতে বিশ্বাসীদের করণীয়গুলাে হলোঃ

  • সবসময় সত্যপথে থাকতে হবে।
  • মিথ্যাকে এড়িয়ে চলতে হবে
  • পাপাচার করা যাবে না
  • অশ্লীল কার্য হতে বিরত থাকতে হবে
  • পবিত্র জীবন-যাপন করতে হবে
  • অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে
  • ইসলামের বিধি-বিধান মেনে চলতে হবে
  • সচ্চরিত্রবান হওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
  • সবসময় ইসলামের পথে থাকতে হবে।
  • সৎ নীতি ও আদর্শ ধারণ করতে হবে
  • আল্লাহর প্রতি সবসময় বিশ্বাস রাখতে হবে।
  • আল্লাহর আনুগত্য স্বীকার করতে হবে
  • লােভ-লালসা বর্জন করতে হবে
  • নৈতিক জীবন বেছে নিতে হবে

মনে রাখতে হবে অণু পরিমাণ অসঙ্কর্ম করলেও আল্লাহ্ তা দেখতে পাবে। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী যে ব্যক্তি ইমান আনে, সকর্ম করে সে আখিরাতে শান্তিময় জীবন লাভ করবে। অন্যদিকে দুনিয়াতে যে ব্যক্তি অবাধ্য হে পাপাচার করবে সে আখিরাতের সকল পর্যায়ে কষ্ট ভােগ করবে। আল্লাহতায়ালা পরকালে সামান্যতম ভালাে বা মন্দ কাজ সবই প্রদর্শন করবেন। অত:পর এগুলাের পুরস্কার বা শাস্তি দেওয়া হবে। সুতরাং আখিরাতে বিশ্বাস মানুষকে ছােট-বড়, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব ধরনের অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং পাপমুক্ত, সল্কর্মশীল ও নৈতিক জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে।

আখিরাতে বিশ্বাসী ব্যক্তি ও সমাজজীবনে প্রভাবঃ

আখিরাতে বিশ্বাসী ব্যক্তি সকাজে উৎসাহী হয়ে অসকাজ থেকে সর্বদা নিজেকে বিরত রাখে। আখিরাত বা পরকালের কয়েকটি স্তরের মধ্যে মৃত্যু, কবর, হাশর ও জান্নাত সম্পর্কে নিচে বর্ণনা করা হলােক)

১.মৃত্যুঃমৃত্যুর মাধ্যমে আখিরাত বা পরকালীন জীবনের সূচনা হয়। মৃত্যু হলাে পরকালের প্রবেশদ্বার। আল্লাহ তায়ালা সকল প্রাণীর মৃত্যু নির্ধারণ করে রেখেছেন।

তিনি বলেনكل نفس ذائقة الوط অর্থ: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে ।” (সূরা আল ইমরান, আয়াত ১৮৫) দুনিয়ার কোনাে প্রাণীই মৃত্যুর হাত থেকে রেহাই পাবে না। যত বড় ক্ষমতাধারীই হােক আর যত সুরক্ষিত স্থানে বসবাস করুক সবার নির্দিষ্ট সময়ে মৃত্যু হবেই। মৃত্যুর সাথে সাথে আখিরাতের জীবন শুরু হয়। পুণ্যবান মানুষের মৃত্যু তায়ালার রহমতের সাথে। আর পাপীদের মৃত্যু খুব কষ্টকর হয়।

২.কবরঃ মৃত্যুর পর থেকে পুনরুত্থান পর্যন্ত সময়কে কবরের জীবন বলা হয়। এর অপর নাম বারযাখ। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেনبعونه থাকবে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।” (সূরা আলঅর্থ: তাদের সামনে। মুমিনুন, আয়াত ১০০) দুনিয়াতে মানুষকে মৃত্যুর পর কবরস্থ করা হয়। এসময় মুনকার-নাকির। মক দুজন ফেরেশতা কবরে আসেন। তাঁরা মৃত ব্যক্তিকে তিনটি প্রশ্ন করেন। এগুলাে হলােs

১।তােমার রব কে?

২।তােমার দীন কে?

৩।তােমার নবি কে?

৩.হাশরঃ

হাশর হলাে মহাসমাবেশ। আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে সকল মানুষ ও প্রাণীকূল মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হবে। সকলেই সেদিন একজন আহবানকারী ফেরেশতার ডাকে হাশরের ময়দানে সমবেত হবে। পৃথিবীর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সকল মানুষই সেদিন এ মাঠে একত্রিত হবে। মানুষের এ মহাসমাবেশকেই হাশর বলা হয়। হাশরের ময়দান হলাে হিসাব নিকাশের দিন, জবাবদিহির দিন। এদিন আল্লাহ তায়ালা হবেন একমাত্র বিচারক।

আল্লাহ তায়ালা বলেনملير يوم البيئية অর্থ: “তিনি (আল্লাহ) বিচার দিবসের মালিক।” (সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত ৩) সেদিন সকল মানুষের সমস্ত কাজকর্মের হিসাব নেওয়া হবে। হাশরের ময়দানে মানুষের আমলনামা দেওয়া হবে। যাঁরা পুণ্যবান তারা ডান হাতে আমলনামা লাভ করবেন। আর পাপীরা বাম হাতে আমলনামা পাবে। আমাদের প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (স.) সেদিন তাঁর খাটি উম্মতগণকে হাউজে কাউছার থেকে পানি পান করাবেন। পাপীরা সেদিন তৃষ্ণায় নিদারুণ কষ্ট ভােগ করবে।

৪.জান্নাতঃ

জান্নাত অর্থ উদ্যান, বাগান, সুশােভিত কানন। ইসলামি পরিভাষায় পরকালীন জীবনে পুণ্যবানগণের জন্য পুরস্কার স্বরূপ যে আরামদায়ক স্থান তৈরি করে রাখা হয়েছে তাকে বলা হয় জান্নাত। রবেন। জান্নাতে সবধরনের নিয়ামত বিদ্যমান। মুমিনগণ সেখানে চিরকাল অবস্থান তাঁরা সেখানে তাঁদের পুণ্যবান মাতা-পিতা, স্ত্রী-পুত্র, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের সাথে মিলিত হবেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, সেখানে (জান্নাতে) তােমাদের জন্য রয়েছে যা কিছু তােমাদের মন চায় এবং সেখানে তােমাদের জন্য রয়েছে যা তােমরা ফরমায়েশ কর। এটি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে আপ্যায় (সূরা হা-মিম আস-সাজদা, আয়াত ৩১-৩২) জান্নাত চরম সুখের আবাস। দুনিয়াতে যারা ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করে চলবে তারা পরকালে জান্নাত লাভ করবে।

সকল কাজকর্মে আল্লাহ তায়ালার আদেশ ও রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করলে জান্নাত লাভ করা সম্ভব হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেনوأما من خاف مقام ربه وتقى النفس عن القوى 8 في المئة هي التأوية অর্থ: “আর যে ব্যক্তি স্বীয় প্রতিপালকের সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বিরত রাখে জান্নাতই হবে তার আবাস।” (সূরা আন-নাযিআত, আয়াত 80-83) সুতরাং আমরাও জান্নাত লাভের জন্য সর্বদা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করব, তাঁর আদেশ নিষেধ মেনে চলব, অন্যায় ও পাপ কাজ থেকে নিজেকে রক্ষা করে উত্তম চরিত্র গঠন করব। তাহলে মহান আল্লাহ আমাদের উপর সন্তুষ্ট হবেন, আমরা পরকালে জান্নাত লাভ করব।

প্রতিবেদকের নাম ও ঠিকানা (এখানে নিজের নাম লিখবে) (স্কুলের নাম এবং ঠিকানা লিখবে)।

প্রতিবেদনের শিরােনাম : “সকর্মশীল ও নৈতিক জীবন গঠনে আখিরাতে বিশ্বাসের ভূমিকা বিশ্লেষণ

প্রতিবেদন তৈরির তারিখ ১৮ আগস্ট, ২০২১ প্রতিবেদন তৈরির সময় সকাল ১০.০০ টা।

আরও দেখুনঃ

এসএসসি 2022 বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা [৬ষ্ঠ সপ্তাহ] অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর। Class-10 Assignment 2021

এসএসসি 2022 হিসাববিজ্ঞান ৬ষ্ঠ সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর। ১০ম শ্রেণি অ্যাসাইনমেন্ট 2021।

১০ম শ্রেণি রসায়ন [৬ষ্ঠ সপ্তাহ] অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর 2021। এসএসসি অ্যাসাইনমেন্ট -2022

Check Also

বাংলাদেশের লােকশিল্পের বিলুপ্তির কারণ এবং লােকশিল্প সংরক্ষণের উপায়।

৮ম শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট এর নির্ভুল এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর প্রকাশ করা হলো। প্রিয়  ৮ম শ্রেণীর …