৯ম শ্রেণীর বিজ্ঞান (Science) অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান 2021 । ৫ম সপ্তাহ সাধারন বিজ্ঞান উত্তর ডাউনলোড

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত নবম শ্রেণীর পঞ্চম সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের প্রশ্নের সমাধান প্রকাশ করা হয়েছে। তোমরা ইতিমধ্যেই নবম শ্রেণীর পঞ্চম সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন অর্থাৎ টপিক হাতে পেয়েছো যা গত রবিবার 30 শে মে 2021 তারিখে প্রকাশিত হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যেই নবম শ্রেণীর প্রথম সপ্তাহের বিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্ন সম্বলিত একটি পোস্ট প্রকাশত করেছি।

এই পোস্টের মাধ্যমে আমরা নবম শ্রেণীর পঞ্চম সপ্তাহের বিজ্ঞান বিষয়ের নির্ভুল সমাধান প্রকাশ করলাম। যা নবম শ্রেণীর বোর্ড বই অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। তোমরা তোমরা যারা নবম শ্রেণীর পঞ্চম সপ্তাহের বিজ্ঞান প্রশ্নের সমাধান চাচ্ছো তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে এই পোস্টটি পড়তে থাকো।

নবম শ্রেণীর পঞ্চম সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন

বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ডট gov.bd করতে প্রকাশিত নবম শ্রেণীর প্রথম সপ্তাহের বিজ্ঞান বিষয়ের সালমান বা কাজ হুবহু তুলে ধরা হলো।

অ্যাসাইনমেন্টে বা কাজঃ

উপরের গ্লাসের পানিতে কয়েকটি দূষক পদার্থ (যেমন অদ্রবণীয় ময়লা-আবর্জনা, বালি, লবন ইত্যাদি) মেশাও । এখন এই দূষিত পানি কে বিভিন্ন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে বিশুদ্ধ করো।

ক) পানি বিশুদ্ধকরণ সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি লিখে উপস্থাপন করো।

খ) তৈরিকৃত দূষিত পানি বিশুদ্ধ না করে পান করলে আমার যে সমস্ত সমস্যা হতে পারে তাও নিচে বিশ্লেষণ কর।

নবম শ্রেণী পঞ্চম সপ্তাহের বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্নের সমাধান

প্রিয় নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। ৯ম শ্রেণির বিজ্ঞান টপিকস হাতে পাওয়ার পর তা বিশ্লেষণ করে। আমরা তোমাদের জন্য বিজ্ঞান বিষয়ের একটি পরিপূর্ণ সমাধান তৈরি করেছি । যা তোমাদের ফুল নম্বর পেতে সহায়তা করবে।  ৯ম শ্রেণীর ৫ম সপ্তাহের বিজ্ঞান বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

ক) পানি বিশুদ্ধকরণ সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি লিখে উপস্থাপন করো।

পানি বিশুদ্ধকরণ বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিচে তুলে ধরা হল।

স্ফুটনঃ এই প্রক্রিয়াটির সঙ্গে তোমরা সবাই পরিচিত। তোমাদের বাসায় পানি ফুটিয়ে পান করা হয়। অনেকে আবার পানি ফোটানোর পর ফিল্টার করে খাও। খুব ভালোভাবে পানি ফুটালে পানিতে উপস্থিত জীবাণুগুলো মরে যায়। ১৫-২০ মিনিট পানি ফোটাতে হয়। তারপর ঠাণ্ডা করে ছেঁকে পান করতে হয়। এটি পানি বিশুদ্ধকরণের সবচেয়ে সহজ প্রক্রিয়া।

পাতনঃ প্রথমে একটি পাত্রে পানি নিয়ে সেটাকে তাপ দিয়ে বাষ্পে পরিণত করা হয়। তারপর সেই বাষ্প ঘনীভূত করে বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি ওষুধ তৈরির জন্য এবং পরীক্ষাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়। কারণ এই প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধ করা পানিতে অন্য কোনো পদার্থ থাকার সুযোগ নেই। তবে প্রক্রিয়াটি ব্যয়বহুল।

ক্লোরিনেশনঃ পানিতে ব্লিচিং পাউডার যোগ করলে উৎপন্ন ক্লোরিন বিভিন্ন জীবাণুকে জারিত করে মেরে ফেলে। পানিতে জীবাণু থাকলে জীবাণুনাশক ব্যবহার করে তা মেরে ফেলতে হবে। এ ক্ষেত্রে জীবাণুনাশক হিসেবে ক্লোরিন গ্যাস ও ব্লিচিং পাউডার অন্যতম। এ ছাড়া কিছু পদার্থ আছে, যেগুলো পানির জীবাণু মারার কাজে ব্যবহার করা হয়। বন্যার সময় বিশুদ্ধ পানির খুবই অভাব থাকে। আর বাড়ির চারপাশের পানিতে নানা ধরনের জীবাণু থাকে। ওই অবস্থায় পানি বিশুদ্ধ করার জন্য ট্যাবলেট বা কিট দেওয়া হয়। এতে থাকে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড। এর মধ্যে থাকা ক্লোরিন পানিতে থাকা জীবাণুগুলো জারিত করে মেরে ফেলে। বোতলজাত পানির কারখানায়ও এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

পরিস্রাবণঃ পানিতে থাকা অদ্রবণীয় ধুলাবালির কণা এবং নানা রকম ময়লা-আবর্জনার কণা থাকতে পারে। এগুলোকে পরিস্রাবণ পদ্ধতিতে বের করা হয়। পানিকে বালুর স্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে অদ্রবণীয় কণাগুলো আটকে যায়। এ ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম ফাঁকযুক্ত কাপড়ও ব্যবহার করা যায়। আমাদের অনেকের বাসায় ফিল্টার রয়েছে। সেখানে ছোট ছোট নুড়িপাথর কিংবা বালুকণার মতো পাথরের একটা স্তর থাকে। ওটা পরিস্রাবণের কাজ করে।

খ) তৈরিকৃত দূষিত পানি বিশুদ্ধ না করে পান করলে আমার যে সমস্ত সমস্যা হতে পারে তাও নিচে বিশ্লেষণ কর।

তৈরিকৃত দূষিত পানি বিশুদ্ধ না করে পান করলে আমার যে সমস্ত সমস্যা হতে পারে তাও নিচে বিশ্লেষণ করা হলো

  • উপরের পানি বিশুদ্ধ না করলে অর্থাৎ পানি দূষিত পান করলে যে সমস্ত সমস্যা হতে পারে তা নিচে দেওয়া হল দূষিত পানি পান করলে পানিতে থাকা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস শরীরের ভিতরে ঢুকে বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে।
  • দূষিত পানি পান করলে পানিবাহিত রোগ যেমন ম্যালেরিয়া কলেরা ডায়রিয়া ইত্যাদি মারাত্মক ধরনের রোগ হতে পারে।
  • গ্লাসের পানিতে মিশে থাকা পারদ মস্তিষ্ক বিকল হওয়া ত্বকের ক্যান্সার বিকলাঙ্গ হওয়ার ইত্যাদি নানা ধরনের জটিল রোগ হতে পারে।
  • গ্লাসের পানিতে মিশ্রিত সিসা বিতৃষ্ণাবোধ বা শরীরে জ্বালাপোড়া রক্তশূন্যতা কিডনি বিকল হওয়া পরিমাণ খুব বেশি হলে মস্তিষ্ক বিকল হওয়ার মত বড় বড় রোগ হতে পারে।
  • গ্লাসের পানিতে মিশ্রিত আর্সেনিক আর্সেনিকোসিস ত্বক এবং ফুসফুসের ক্যান্সার পাকস্থলীর রোগসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ হতে পারে মোটকথা ওপরের গ্লাসের ময়লা আবর্জনা মিশ্রিত পানি পান করলে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ব্যাপক ক্ষতিসাধন হতে পারে

Check Also

প্রাণীর পরিচিতি ও শ্রেণিবিন্যাস উপস্থাপন। ৮ম শ্রেণি [৩য় সপ্তাহ] বিজ্ঞান

প্রিয় অষ্টম শ্রেণীর 2022 শিক্ষা বর্ষের শিক্ষার্থীরা। তোমাদের তৃতীয় সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত বিজ্ঞান অ্যাসাইনমেন্টের নির্ভুল …